মহাসড়কগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৪ মে ২০২৬, ১০:৩১ রাত
  • ১৯৫৮০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

মহাসড়কগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে


অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জাতীয় মহাসড়কগুলোকে পর্যায়ক্রমে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। এরপর আঞ্চলিক মহাসড়কগুলোও একইভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।


আজ সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঈদুল ফিতরের সময় দুই-তিনটি বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে আমরা মোটামুটিভাবে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।


তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা হয়তো সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারিনি। এবার আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জাতীয় মহাসড়কগুলোকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে চাই।


রবিউল আলম রবি বলেন, বাংলাদেশে সড়ক প্রশস্ত করার চাহিদা রয়েছে। গত দুই মাসে সংসদ সদস্যদের দেওয়া ডিও অনুযায়ী সড়ক সম্প্রসারণে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। কিন্তু বাজেটে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০ হাজার কোটি টাকা পাওয়া যেতে পারে—এটা আমার ধারণা, অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলছি। এ বছরের বাজেটে কী পাওয়া যাবে, তা এখনো জানা নেই। তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প নির্বাচন করে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে।


সাংবাদিকরা মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ করার ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা আমাদের রয়েছে। তবে আমাদের মহাসড়কগুলো এখনো পুরোপুরি সুরক্ষিত নয়। আমরা এখনো থ্রি-হুইলারের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। এর প্রধান কারণ হলো, সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ছোট সংযোগ সড়ক রয়েছে। ফলে নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন নিয়ন্ত্রণ কিছুটা বেশি করা গেছে। পর্যায়ক্রমে এটি আরও নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে যেভাবে থ্রি-হুইলার চলছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়।


ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি খুবই বিপজ্জনক এবং একটি খারাপ প্রবণতা। এটি বন্ধ করতে জেলা প্রশাসকদের আরও তৎপর হতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি রেলওয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বাহিনীকে সক্রিয় করা হচ্ছে। জনসচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। অনেক সময় দেখা যায়, শিশুরা খেলতে গিয়ে ট্রেনের কাচে ঢিল ছোড়ে। এসব এলাকায় সচেতনতা বাড়াতে কাজ চলছে।


চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে সড়কমন্ত্রী বলেন, সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। এটি একটি অপরাধ। যারা চাঁদাবাজি করছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। ইতোমধ্যে অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে, বাকিদেরও পর্যায়ক্রমে আনা হবে।


আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহাসড়কে যানজটের বিষয়ে তিনি বলেন, যানজট এড়াতে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, এবার চ্যালেঞ্জ আরও বেশি হবে, কারণ বিপুল সংখ্যক গরুবাহী ট্রাক চলাচল করবে। গতবার প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা থেকে বাইরে গিয়েছিল, এবার তা আড়াই কোটির কাছাকাছি হতে পারে। পাশাপাশি প্রায় এক কোটি পশু পরিবহন করা হবে। ফলে যানবাহনের চাপ অনেক বাড়বে। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও সর্বোচ্চ সফলতা অর্জনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad