শক্তি বাড়িয়ে শক্ত ভিতে দাঁড়াচ্ছে এনসিপি: মাহফুজ সাদি
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অল্প সময়েই দেশের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠার এক বছরের মধ্যেই বিরোধী জোটের শরিক হিসেবে নিজেদের সম্ভাবনাময় শক্তি হিসেবে জানান দিয়েছে দলটি। ইতোমধ্যে পাঁচ দফায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের নেতাদের দলে যুক্ত করেছে এনসিপি। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আরো কয়েক দফায় নতুন মুখ অন্তর্ভুক্তির আলোচনা চলছে। পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে এবং তা বাস্তব রূপ পেতে শুরু করেছে। নতুন যুক্ত হওয়া নেতাদের পদায়নের পাশাপাশি দলীয় কাঠামোকে পূর্ণাঙ্গ করতে শিগগির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। একই সঙ্গে কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে কমিটি গঠনের প্রস্তুতি চলছে। সহযোগী সংগঠনগুলোকেও পুনর্গঠন করা হচ্ছে। জুলাইয়ের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত করে মধ্যপন্থি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হতে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে এনসিপি।
এনসিপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জুলাই শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকায় চার দফা ও চট্টগ্রামে এক দফা বিভিন্ন দল, সংগঠন ও প্ল্যাটফর্মের নেতাকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। এর ফলে শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়েই নয়, তৃণমূলেও দলটিতে যোগদানের প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঐক্য প্রক্রিয়া ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং এনসিপির সম্ভাবনাকেও নতুনভাবে সামনে এনেছে।
চট্টগ্রামে নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যে যেখান থেকেই আসুক, এনসিপির পতাকাতলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
এর আগে গত ২৪ এপ্রিল ঢাকায় আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপির ছায়াতলে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে নতুন যোগদানকারীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এবার তারুণ্যের জয়জয়কার হবে এবং সেটি এনসিপির নেতৃত্বেই হবে।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আমার দেশকে বলেন, এনসিপিতে ইতোমধ্যে অনেকেই যোগ দিয়েছেন, সামনে আরো অনেকে যোগ দেবেন। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও দলটিতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন অঞ্চলের প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক, সামাজিক এবং পেশাজীবী ব্যক্তিরা এনসিপির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। আমরা নতুনদের নিয়ে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে দেশবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।
তিনি আরো বলেন, জনগণের মধ্যে এনসিপির প্রতি অভাবনীয় সমর্থন রয়েছে। তবে সময় স্বল্পতার কারণে আমরা এখনো সে মাত্রার সাংগঠনিক কাঠামো দাঁড় করাতে পারিনি। এটি আগে করা গেলে নির্বাচনে আরো ভালো ফল করা সম্ভব হতো। সে অভিজ্ঞতা থেকেই এখন আমরা শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। যারা এনসিপিকে সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখছেন এবং যুক্ত হতে আগ্রহী, তাদের স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা তৃণমূল থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চাই।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যারা ইতোমধ্যে এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন বা ভবিষ্যতে যোগ দেবেন, তাদের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বিভিন্ন কমিটিতে ধাপে ধাপে পদায়ন করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কমিটিতে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাকিদেরও পর্যায়ক্রমে অন্তর্ভুক্ত করে সাংগঠনিক কাঠামো আরো বিস্তৃত করা হবে।
এদিকে, শিগগির দলটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। এতে শিক্ষাবিদ, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আলোচিত ব্যক্তিত্ব থাকছেন। পরিষদের সদস্য সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ জনের মধ্যে হতে পারে। চলতি মাসের প্রথমার্ধেই এ পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা উপদেষ্টা পরিষদ করছি সিনিয়রদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর জন্য। তাদের বুদ্ধি, পরামর্শ আমরা কাজে লাগাতে চাই। সিনিয়রদের নিয়ে দ্রুত একটি উপদেষ্টা প্যানেল তৈরি করা হবে।
এনসিপির দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষ নেতারা বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের হারিয়ে যাওয়া এবং সংস্কার প্রশ্নে বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল ও ভূমিকা নিয়ে মানুষ ক্ষুব্ধ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যমপন্থি নতুন দল হিসেবে এনসিপির বিকল্প শক্তি হয়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ফলে দলকে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত শক্তিশালী ও বিস্তৃত করা গেলে আন্দোলন-সংগ্রাম এবং আগামী নির্বাচনে ভালো করা সম্ভব। সেজন্য বিভিন্ন দল, সংগঠন, প্লাটফর্মের নেতা ও ব্যক্তিত্বকে যুক্ত করার কৌশল নেওয়া হয়, যা সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, জুলাই শক্তিগুলোর ঐক্য প্রক্রিয়া চলছে। এ প্রক্রিয়া একটি পর্যায়ে গেলে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা হবে। এনসিপির পারফরম্যান্সে মানুষের মধ্যে আশা-আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য দলকে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত শক্তিশালী করা। সাংগঠনিক কাঠামো বিস্তৃত করা।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার আমার দেশকে বলেন, এনসিপির বয়স এক বছর হলেও এরই মধ্যে রাজনীতিতে ভালো সাড়া ফেলেছে। মধ্যপন্থি গণতান্ত্রিক এ দলে এখন সবাই সম্ভাবনা দেখছেন। অনেকে এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছেন, আরো অনেকে হবেন। আগামীর বিকল্প শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে এনসিপি। দেশপ্রেমী ও সংস্কারের পক্ষে থাকা যে কেউ এনসিপিতে আসতে চাইলে স্বাগত জানানো হবে।
একাধিক সূত্রমতে, এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও পলিটিক্যাল কাউন্সিল আগেই গঠন করা হয়েছে। আহ্বায়ক কমিটিতে ২০০-এর বেশি সদস্য রয়েছেন। নির্বাহী কমিটির সদস্যও অর্ধশত। পলিটিক্যাল কাউন্সিলের সদস্য সম্প্রতি দুজন বাড়িয়ে ১২ জন করা হয়েছে। প্রথম দুই দফায় এনসিপিতে আসা নেতাদের কেন্দ্রীয় কমিটি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদায়ন করা হয়েছে। বাকিদের পদায়নও প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে এক ডজনের বেশি বিশেষায়িত উইং ও সেল হয়েছে।
এনসিপি নেতারা বলেছেন, এনসিপির পাশাপাশি দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী ও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যন্ত যারা এনসিপির রাজনীতি করতে চান, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, জাতীয় যুবশক্তি, জাতীয় ছাত্রশক্তি, নারীশক্তিসহ সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনগুলো শক্তিশালী করা হচ্ছে। আমরা মূল দলসহ তিন-চারটি অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনকে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত করতে চাই। ইতোমধ্যে ঢাকায় ওয়ার্ড কমিটিগুলো গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা সারা দেশে ইউনিয়ন পর্যন্ত পৌঁছে দিতে চাই। বিভিন্ন পেশা ও খাতভিত্তিক উইং রয়েছে অনেকগুলো। সেগুলোকেও সংগঠন হিসেবে শক্তিশালী করার কাজ চলছে।
এমনকি দলিত, হরিজন ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে নিয়ে এনসিপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে ‘জাতীয় জনজাতি জোট’ গঠিত হয়েছে। ‘জাতীয় প্রতিবন্ধী নাগরিক শক্তি’ নামে এনসিপির সমর্থনে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। প্রবাসী ও অভিবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে এনসিপির সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে ‘গ্লোবাল ডায়াস্পোরা সেল’ গঠন করা হয়েছে। চলতি মাসে ‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবকশক্তি’ ও ‘জাতীয় কৃষকশক্তি’র আত্মপ্রকাশ হচ্ছে।
এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হুসাইন সিএফ আমার দেশকে বলেন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত দ্রুত সাংগঠনিক বিস্তৃতি ঘটাতে চায় এনসিপি। থানা ও ইউনিয়ন পর্যন্ত শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করে বিকল্প শক্তি হিসেবে যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তা বাস্তবে রূপ দিতে চাই আমরা।
আপ বাংলাদেশ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এবি পার্টির ৩০ জনের বেশি নেতা এনসিপিতে যোগ দেন গত ১৯ এপ্রিল। তাদের মধ্যে রয়েছেনÑআপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সভাপতি রিফাত রশিদ এবং এবি পার্টির (আমার বাংলাদেশ পার্টি) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানী আবদুল হক। ২৪ এপ্রিল এনসিপিতে যোগ দেন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ফেরসামিন হক ইকবাল ফ্লোরা, কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতা মহিউদ্দিন রনি, বাংলাদেশ জনতা পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান সোহেলসহ অনেক নেতাকর্মী।
গত মঙ্গলবার এনসিপিতে যোগ দেন জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ড. নাদিমুর রহমান, ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন, গাজীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক এমএএইচ আরিফ এবং ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’-এর প্রায় চার হাজার সদস্য। গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তি এনসিপিতে যোগ দেন। সবশেষ গতকাল শুক্রবার এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ৩০০ নেতাকর্মী যোগ দেন।
আরো ৩০০ নেতাকর্মীর যোগদান
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তর শাখায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ৩০০ নেতাকর্মী যোগ দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব নবাগতদের ফুল দিয়ে বরণ করেন।
তিনি বলেন, আমরা আজ ৩৫ জনের মতো নাম ঘোষণা করব। ৩৫ জনের নেতৃত্বে প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী যোগদান করেছেন। যারা নেতৃত্বের প্রধান তাদের নাম আজ ঘোষণা করব। জাতীয় নাগরিক পার্টিতে ধারাবাহিক যোগদানের অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তরের যোগদান কর্মসূচি চলছে।
দলটির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক রাফিদ এম ভূঁইয়া জানান, উত্তরার প্রায় ১০০ জন পোশাক শ্রমিকও অচিরেই এনসিপিতে যোগ দেবেন। তারা এনসিপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির সঙ্গে কাজ করবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব শাহরীন ইরা, কেন্দ্রীয় সংগঠক আবদুল্লাহ আল মনসুর প্রমুখ।
এমবি

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স