প্রান্তিক মানুষের স্বাবলম্বিতায় প্রাণিসম্পদ খাতে জোর, নাইক্ষ্যংছড়িতে খামারিদের মাঝে পশু বিতরণ

  • মো. জাকির হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোড সময় : ২৫ জুন ২০২৬, ০৯:২০ রাত
  • ১৬৭৫১ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বৃহস্পতিবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ও স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

তিনি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়ির এ খামারটির অন্যতম লক্ষ্য ছিল গয়াল সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে এসব প্রাণী বিতরণ। বর্তমান সরকার সেই কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ইতোমধ্যে বিভিন্ন খামারির মধ্যে ছাগল ও ভেড়া বিতরণ করা হয়েছে। সরকারি খামারগুলোতে গবেষণার মাধ্যমে কীভাবে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের আরও বেশি সহায়তা দেওয়া যায়, সে বিষয়েও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে যথাযথ পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে খামারটির পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। খামারটির আধুনিকায়ন ও সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রীর মতে, একজন প্রান্তিক মানুষ যদি ছাগল, ভেড়া, গরু কিংবা মুরগি পালন করতে পারেন, তাহলে তিনি নিজেই আয়-উপার্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন এবং ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন। প্রান্তিক মানুষের এই আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

এর আগে তিনি আঞ্চলিক কেন্দ্রের গয়াল শেড, হরিণ শেড এবং ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের শেড পরিদর্শন করেন। এ সময় গয়ালের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য প্রাণীর উন্নত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরে স্থানীয় খামারিদের মাঝে মুরগি, ছাগী, ছাগলের পাঠা, ভেড়া ও ভেড়ার পাঠা বিতরণ করা হয়।

পরিদর্শনকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় খামারি এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad