শনিবার জাতীয় কৃষক শক্তির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সারের দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভের ঘটনায় কৃষি কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি আরও প্রায় ৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সাধারণ কৃষকদের মধ্যেও গ্রেপ্তার ও হয়রানির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জাতীয় কৃষক শক্তি জানায়, গ্রেপ্তারের ভয়ে অনেক কৃষক রাতে নিজেদের বাড়িতেও থাকতে পারছেন না।
প্রকৃত অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় সংগঠনজাতীয় কৃষক শক্তি বলেছে, সারের সংকট, বিতরণে অনিয়ম কিংবা বৈষম্যের অভিযোগের সুরাহা না করে কৃষকদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের পরিবেশ তৈরি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কৃষকরাই দেশের খাদ্য উৎপাদনের মূল শক্তি।
বিবৃতিতে বলা হয়, কৃষি কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগ থাকলে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ায় সংগঠনের কোনো আপত্তি নেই। তবে কোনো নিরপরাধ কৃষক যাতে হয়রানি বা অযথা গ্রেপ্তারের শিকার না হন, তা সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিশ্চিত করতে হবে।
সার সরবরাহ ও কালোবাজারি বন্ধের দাবিসারের সংকটের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ এবং সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিতরণব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় কৃষক শক্তি।
একই সঙ্গে সারের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও কালোবাজারির কোনো ঘটনা থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানায় সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, কৃষককে ভয় দেখিয়ে নয়, কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েই কৃষি ও দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কৃষকদের ঘরে ফেরার জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স