সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ঝালকাঠির বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জেলার নলছিটি, কাঁঠালিয়া ও রাজাপুর উপজেলার নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের ২০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
প্লাবিত এলাকাগুলোর মধ্যে শৌলজালিয়া, আমুয়া, পাটিখালঘাটা, হেতাল বুনিয়া ও প্রেমহার উল্লেখযোগ্য। টানা বৃষ্টির সঙ্গে অতিরিক্ত জোয়ারের পানি ঢুকে এসব এলাকার সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের দৈনন্দিন চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে বিস্তীর্ণ এলাকার রোপা আমন, আমনের বীজতলা এবং পেঁপে, লাউ, করলা, চিচিঙ্গা ও চালকুমড়াসহ বিভিন্ন সবজি পানিতে ডুবে গেছে। পানি দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষিক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা।
ঝালকাঠি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহমেদ বলেন, “পানি যদি আরও দুই থেকে তিন দিন স্থায়ী হয়, তাহলে আমন ধান, পানের বরজসহ বিভিন্ন ফসলের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হতে পারে।”
অন্যদিকে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নিলয় পাশা জানান, জোয়ার ও বৃষ্টির কারণে জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

মোঃ আল আমিন হোসেন,বার্তা সম্পাদক