জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেছেন, সরকারের ১১টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থা ও করপোরেশনের শীর্ষ (গ্রেড-২) পদে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নেতাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, একযোগে এত বিপুলসংখ্যক দলীয় নেতাকে প্রশাসনের উচ্চপদে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন এবং এটি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে দলীয়করণের সুস্পষ্ট উদাহরণ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর পল্টনে শফিউল আলম প্রধান মিলনায়তনে যুব জাগপা আয়োজিত ‘গণভোটের গণরায় অবমূল্যায়ন: জুলাইয়ের চেতনায় যুবসমাজের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
রাশেদ প্রধান বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বের ঝুঁকি বাড়বে। এতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিরপেক্ষতা হারিয়ে দলীয় প্রভাবের আওতায় চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে বিএনপি জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তার ভাষ্য, সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে সরকারের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
সভায় যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
এ সময় জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, ঢাকা মহানগর জাগপার সভাপতি এস এম জিয়াউল আনোয়ার, যুব জাগপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সজিব, আশিকুর রহমান খান, আবু নাছের, শামীম আহমেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সামিরুল ইসলাম রাকিব, আল আমিন ও সৌরভ দাসসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক