এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে দেশের বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের দেওয়া হয়।
রিট আবেদনকারীরা হলেন—নাজিবুর রহমান, মীর আহমেদ বিন কাসেম, গোলাম রাব্বানী, নুরুল ইসলাম, মাসুদ পারভেজ, মো. আজিজুর রহমান, শেখ মনজুরুল হক, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সালাউদ্দিন ও মো. জহিরুল ইসলাম। এ রিটের শুনানি হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে হওয়ার কথা রয়েছে।
আইনজীবী শিশির মনির জানান, ২০০১ সালেও একইভাবে জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল। সে সময় ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়। পরে ওই মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ দায়িত্ব বণ্টনসংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন।
শিশির মনিরের ভাষ্য, বাংলাদেশের সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো আইনগত কর্তৃত্ব নেই। ফলে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের বর্তমান সিদ্ধান্তও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বেআইনি।
ইসহাক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তারনিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর আদাবর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইসহাক জোমাদ্দারকে গুলি করে হত্যার মামলায় ঝালকাঠি-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।
রবিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। আদাবর থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহেশ চন্দ্র সিংহ তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, নিহত ইসহাক জোমাদ্দার (৫০) আদাবর থানা এলাকার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেলে আদাবর থানার শ্যামলী ক্লাব মাঠের বিপরীতে আন্দোলন চলাকালে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে ইসহাক জোমাদ্দার নিহত হন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা এবং আসামি জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে যেতে না পারেন—এ কারণে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া শাহজাহান ওমরের বিরুদ্ধে নিউমার্কেট, ঝালকাঠির রাজাপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক হত্যা, দুর্নীতি ও বিস্ফোরক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলেও তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৯ সেপ্টেম্বরনিজস্ব প্রতিবেদক
চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পেছানো হয়েছে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রবিবার (৩০ আগস্ট) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শাহ আলম।
মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি এবং খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে গত ২০ মে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ২৪ মে মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বাদীপক্ষ মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিলের আবেদন করলে আদালত তা নথিভুক্ত করেন।
গত ২২ জুন সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে কবর থেকে তার দেহাবশেষ উত্তোলনের প্রক্রিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেন সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা। ওই আদেশের অনুলিপি পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে তা নথিভুক্ত করা হয়।
দীর্ঘদিনের মামলা১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এ ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা করেন। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি।
আদালত অপমৃত্যুর মামলার পাশাপাশি হত্যার অভিযোগের বিষয়টিও তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। ওই বছরের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করেন।
সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা করেন। সবশেষ গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলা করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
সামীরা হক ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন—শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক আশরাফুল হক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।
এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি খলনায়ক আশরাফুল হক ডন বর্তমানে পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।
কিছুক্ষণ পর প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। তারা দ্রুত বাসায় ফিরে সালমানকে শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। সেখানে কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন। পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।
সালমানের মা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে স্বজনরা তার গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।
মামলার বাদী আরও উল্লেখ করেন, সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেছিলেন। এতে রমনা থানার অপমৃত্যুর মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন করা হয়। বাবার মৃত্যুর পর আলমগীর তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।
আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনিঅনলাইন ডেস্ক
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি। রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে তার শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। শপথ গ্রহণের তারিখ থেকেই এ নিয়োগ কার্যকর হবে।
বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি এর আগে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার নিয়োগের ফলে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচজনে।
যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো মিতু গ্রেপ্তারের পর কারাগারেনিজস্ব প্রতিবেদক
হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী মিতুকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এদিন আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
এর আগে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে মিতুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই সৌমিত্র সরকার তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আদালতে দেওয়া আবেদনে বলা হয়, যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারের পর গত ২৪ আগস্ট মিতুর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান কবির তাকে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিল দুই বছর পাঁচ মাস বয়সী সন্তান।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, মিতুকে মামলার বিষয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ২৭ আগস্ট সকালে রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে পাঠানোর আগে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তাকে আবার থানায় নেওয়া হয়।
পরে এক নারী কনস্টেবলের পাহারায় থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কে রাখা হয়েছিল মিতুকে। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি কৌশলে দরজা খুলে শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে যান।
বর্তমানে হত্যা মামলাটির তদন্ত চলছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মিতুকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
এদিকে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় এসআই খন্দকার আবু সালেহ নাঈম পৃথক একটি মামলা করেছেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক