‘জমি যার, টাকা তার’—অধিগ্রহণের টাকা পেতে মানববন্ধন

  • প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ দুপুর
  • ১৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজারসংলগ্ন পাইটাল বাড়ি এলাকায় বরমী ব্রিজ ও সড়ক নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণ করা জমির টাকা নিয়ে হয়রানি, চাঁদাবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে পাইটাল বাড়ির ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নারী-পুরুষসহ কয়েক শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা প্রকৃত জমির মালিকদের অধিগ্রহণের টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে হয়রানি ও অনৈতিকভাবে টাকা দাবি বন্ধ, চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তাঁরা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বরমী ব্রিজ ও সড়ক নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণ করা জমির টাকা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন প্রকৃত মালিকদের হয়রানি করছেন এবং অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করছেন।

মানববন্ধনের ব্যানারে মোবারক, হৃদয়, মকবুল, কবির, ইব্রাহিম ও আব্দুর রাজ্জাকের নাম উল্লেখ করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রকৃত জমির মালিকদের অধিগ্রহণের টাকা নিয়ে হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়।

ভুক্তভোগী সোহেল মিয়া বলেন, ‘অধিগ্রহণের টাকা প্রকৃত জমির মালিকদের প্রাপ্য। জমি যার, তাঁর অধিকার অনুযায়ী টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। কেউ যেন ভয়ভীতি দেখিয়ে বা অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করে প্রকৃত মালিকদের হয়রানি করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’

ফারুক মিয়া বলেন, ‘যাঁরা জমি দিয়ে অধিগ্রহণের টাকা পাওয়ার অধিকারী, তাঁদের কোনোভাবেই চাপ বা হয়রানির মধ্যে রাখা উচিত নয়। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রকৃত মালিকদের টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগেরও তদন্ত করা প্রয়োজন।’

মঞ্জুরুল বলেন, ‘আমরা চাই, অধিগ্রহণের টাকা নিয়ে প্রকৃত জমির মালিকেরা যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন। জমি যার, অধিগ্রহণের টাকা পাওয়ার অধিকারও তাঁর। কেউ যদি জোরপূর্বক টাকা দাবি করেন, ভয়ভীতি দেখান বা চাঁদা দাবি করেন, তাহলে প্রশাসনের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।’

লিটন মিয়া বলেন, ‘আমাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু সেই টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা ধরনের জটিলতা ও চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। প্রকৃত মালিকদের টাকা নিয়ে কেউ যাতে অনৈতিকভাবে সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। যারা চাঁদাবাজি বা হুমকির সঙ্গে জড়িত, তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad