মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ দাবি জানান।
সম্প্রতি মক্কায় অনুষ্ঠিত ৪৬তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের এক প্রতিযোগী ১২৩টি দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জনের বিষয়টি উল্লেখ করে শফিকুল ইসলাম মাসউদ বলেন, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উড্ডীন করা ওই কৃতী সন্তান বাউফলের সন্তান। তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় দেশের প্রতিনিধিদের এমন সাফল্যের পরও রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। তিনি বলেন, বিমানবন্দরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কেবল একজন কর্মকর্তাকে পাঠিয়ে নামমাত্র অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে।
ক্রিকেট ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে গাড়ি, বাড়ি, প্লটসহ বিভিন্ন সম্মাননা দেওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন রাখেন, কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বসেরা হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এমন মূল্যায়ন কেন হবে না।
শফিকুল ইসলাম মাসউদ বলেন, দেশের এসব কৃতী সন্তানের সঙ্গে কথা বলে তিনি তাদের অবমূল্যায়নের চিত্র দেখেছেন। এ ধরনের সাফল্যকে যথাযথ মর্যাদা দিতে রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
স্পিকারের মাধ্যমে বিষয়টি জাতীয় সংসদে বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ সম্মাননা দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

মো. জাকির হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার