দুদকের বক্তব্যে মানহানির অভিযোগ আসিফ মাহমুদের

  • মো. জাকির হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোড সময় : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৯ রাত
  • ৩০৫০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
দুর্নীতির অভিযোগে নিজেরসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান শুরুর আগে সংস্থাটির এক কর্মকর্তার ‘দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’—এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এ বক্তব্যে তার মানহানি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে এ বিষয়ে দুদকের কাছে দুঃখপ্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ প্রতিক্রিয়া জানান আসিফ মাহমুদ।

পোস্টে তিনি বলেন, দুদকের মুখপাত্র আক্তারুল ইসলাম বুধবার সংবাদ সম্মেলনে ‘দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে জানিয়েছেন। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনুসন্ধান শুরুর আগেই প্রমাণ পাওয়া গেছে—এমনভাবে খবর প্রকাশিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আসিফ মাহমুদের ভাষ্য, পরে দুদকের ওই মুখপাত্র সাংবাদিকদের একটি গ্রুপে বার্তা দিয়ে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দটি ব্যবহার না করার অনুরোধ করেছেন। অনুসন্ধান শুরুর আগেই এমন বক্তব্য দেওয়ার কারণে তার যে মানহানি হয়েছে, সে জন্য দুদক কোনো ধরনের ক্ষমা বা দুঃখপ্রকাশ করবে কি না—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

এর আগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য চার সদস্যের একটি টিম গঠন করে দুদক। টিমের নেতৃত্বে রয়েছেন সংস্থাটির উপপরিচালক মো. জাহিদ কালাম।

আসিফ মাহমুদ ছাড়া অনুসন্ধানের আওতায় থাকা অন্য তিনজন হলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

দুদকে জমা পড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আসিফ মাহমুদ বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়নের আদেশ করিয়ে ৭৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য দেড় কোটি টাকা এবং পদোন্নতির পর পছন্দের কর্মস্থলে পদায়নের জন্য আরও দুই কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, উপসচিব মাসুম আহমেদ এবং কয়েকজন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে নিয়ে একটি চক্র যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের টেন্ডার, কেনাকাটাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতি চালিয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বক্তব্য হলো, দুদকের অনুসন্ধান শুরুর আগেই ‘দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বক্তব্য দিয়ে তার বিরুদ্ধে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করা হয়েছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad