সোমবার দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজীর আহমেদ এ তথ্য জানান।
দুদক জানায়, এ বিষয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর প্রধান কার্যালয় থেকে একটি চিঠি জারি করা হয়। এতে অভিযোগটি বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধান করে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক (অনুসন্ধান ও তদন্ত-১) মুহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, ডিএনসিসিতে ওয়াকিটকি কেনায় দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
এ অনুসারে উপপরিচালক মো. আহসানুল কবীর পলাশকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং পরিচালক (অনুসন্ধান ও তদন্ত-১)-কে তদারকি কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধান শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট মতামত দেওয়ার পাশাপাশি ওই মতামত বা সুপারিশের পক্ষে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র চিহ্নিত করে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদক আরও জানায়, অভিযোগটির বিষয়ে এর আগে ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর একটি স্মারক জারি করা হয়েছিল। পরে ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য ইআর (এনফোর্সমেন্ট রিকুইজিশন) সংক্রান্ত নথি তৈরি করা হয়। এসব প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় এবার আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স