বুধবার হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে দুই পক্ষ এ চুক্তিতে সই করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। হংকং সরকারের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নবিষয়ক সেক্রেটারি আলজের্নন ইএই।
চুক্তির ফলে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক বিনিয়োগ ও পুঁজির সুরক্ষা আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি এবং নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হংকং সপ্তম বৃহত্তম উৎস। সংশ্লিষ্টদের আশা, নতুন চুক্তির ফলে বাংলাদেশে হংকংয়ের বিনিয়োগ আরও বাড়বে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হতে পারে।
গত পাঁচ বছরে হংকং থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) পেয়েছে। এর মধ্যে শুধু ২০২৫ সালেই এসেছে ১২২ মিলিয়ন ডলার।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আইপিপিএ স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। একই সঙ্গে এ চুক্তি দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক