গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হয়, এমন আইন করা হবে না

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৫ দুপুর
  • ৩১৩১ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করে—এমন কোনো আইন করা হবে না। কারও কণ্ঠ দমনেরও চেষ্টা করা হবে না।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ কয়েকটি আইন সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপত্রকে দমিয়ে রাখা কিংবা ভয় দেখানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন যেন পরবর্তী সময়ে ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা না হয়, সেটিই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘আমরা গত ১৭ বছরে দেখেছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ কিছু আইন সংবাদমাধ্যম বা সংবাদপত্রকে দমিয়ে রাখা কিংবা তাদের ভয় দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো আইন কোনো একটি উদ্দেশ্যের জন্য তৈরি হয়ে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হোক আমরা তা চাই না।’

আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন এমনভাবে প্রণয়ন করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এই আইন ব্যবহার করে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কিংবা কারও মতপ্রকাশের অধিকার রোধ করার সুযোগ না থাকে।

তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইন এমনভাবে প্রণয়ন করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার করে গণমাধ্যম বা কারও কণ্ঠ রোধ করার সুযোগ না থাকে।’

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গুজব ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট কীভাবে বন্ধ করা যায়, সে বিষয়েও কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। একটি কার্যকর ও ভালো আইন প্রণয়নের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ‘কীভাবে গুজব এবং বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট বন্ধ করা যায়, সেটি নিয়ে কথা হয়েছে। একটি ভালো আইন যেন করা যায়, সেই চেষ্টা করছি।’

আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, গত ১৭ বছরে ডিজিটাল মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমকে গলা টিপে ধরা হয়েছে। নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad