মারধরের শিকার দুজন হলেন—তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজীব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্সি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে ট্রেনটির ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া দেয়নি।
অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার সকালে যুবদল নেতা সানি বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেনকে ফোন করে তাঁর পরিচিত এক ব্যক্তির জন্য দুটি টিকিট দিতে বলেন। পরে কাউসার স্টাফ রুম থেকে টিকিট কাউন্টারে যাওয়ার পথে স্টেশন এলাকায় কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি, যাদের ব্ল্যাকার বলে উল্লেখ করা হয়েছে, টিকিটের জন্য তাঁকে মারধর ও হেনস্তা করেন।
এর কিছুক্ষণ পর নাজমুল হুদা সানি ওই বুকিং ক্লার্ককে কয়েকবার ফোন করেন। তবে কাউসার ফোন না ধরায় ক্ষুব্ধ হয়ে সানি কাউন্টারে গিয়ে বুকিং সহকারী ও ম্যানেজারকে চড়-থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কারণে কাউন্টারের কর্মীরা টিকিট বিক্রিসহ সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর কাউন্টারের কার্যক্রম আবার শুরু হয়। এতে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রীরা টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীরা ফাঁড়িতে এসে অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে হামলাকারীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক