অভিযানে নেতৃত্ব দেন নলছিটি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিজভী আহমেদ সবুজ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুগন্ধা নদীর তীরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে দোকানঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল। এতে লঞ্চ ও খেয়াঘাটে আসা যাত্রীদের চলাচল এবং অপেক্ষার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ে। ফলে ঘাট এলাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছিল।
উচ্ছেদ অভিযানের পর নদীর তীর দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পৌরবাসী ও সাধারণ যাত্রীরা।
পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উচ্ছেদ করা জায়গায় যাত্রীদের সুবিধার্থে দ্রুত একটি আধুনিক যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হবে। এতে লঞ্চ ও খেয়াঘাটে আসা-যাওয়া করা যাত্রীরা নিরাপদে অপেক্ষার সুযোগ পাবেন।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ বলেন, নদীর তীর কিংবা সরকারি জায়গা দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা করা হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: স্থানীয় বাসিন্দা, নলছিটি পৌর কর্তৃপক্ষ এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজের বক্তব্য।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স