বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন মেজর সাব্বির।
ট্রাইব্যুনালে মেজর সাব্বির বলেন, পাথরঘাটার চরদুয়ানীর বলেশ্বর নদে একটি ফিশিং ট্রলারে চারজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে রাখা হয়েছিল। পরে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহগুলোর পেট কেটে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় নিহতদের মধ্যে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামও ছিলেন।
এর আগে মাঝির সাক্ষ্যএর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর র্যাবের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দেন ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক।
আব্বাস মল্লিক ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে আনা লোকজনকে জিয়াউল আহসান গুলি করতেন। কাউকে একবার, আবার কাউকে দুবার গুলি করা হতো। পরে তাঁদের গলায় অথবা পায়ে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।
তিনি আরও জানান, বন্দিদের পেট কেটে দেওয়া ও মাথায় গুলি করার কারণে তাঁদের নাড়িভুঁড়ি ও মস্তিষ্ক বেরিয়ে আসত এবং শরীর থেকে রক্ত পড়ত। এ কারণে ট্রলার ধুয়ে পরিষ্কার করতে হতো। পরে ট্রলারটি ধুয়ে চরদুয়ানীর বরফ মিলে ফিরে যেতেন তাঁরা।
তথ্যসূত্র: আমার দেশ অনলাইন, প্রকাশিত প্রতিবেদন, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক