ল্যাপটপ চুরির অভিযোগে পাটওয়ারীকে বহিষ্কারের দাবি রাশেদ খানের

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৯ দুপুর
  • ৫১২৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক নারী শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ উঠেছিল বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তাঁর দাবি, ওই অভিযোগের পর তদন্ত করে নাসীরুদ্দীনকে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এসব দাবি করেন। তাঁর দাবির পক্ষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বহিষ্কারসংক্রান্ত বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের একটি পুরোনো নোটিশের ছবিও পোস্টের মন্তব্যে যুক্ত করেন তিনি।

রাশেদ খানের ভাষ্য, ২০১৯ সালে ছাত্র ফেডারেশনের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার সময় নাসীরুদ্দীনের বিরুদ্ধে ঢাবির এক নারী শিক্ষার্থী ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ করেন। পরে সংগঠনটির তৎকালীন দায়িত্বশীল নেতারা বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে নাসীরুদ্দীনকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয় বলেও উল্লেখ করেন রাশেদ খান।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, ওই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত অনেকেই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন। বহিষ্কারের পর নাসীরুদ্দীন কিছু সময় রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। পরে এবি পার্টিতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি আবার রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হন বলে দাবি করেন রাশেদ।

ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেরও সমালোচনা করেন রাশেদ খান। তবে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ ও এ বিষয়ে রাশেদ খানের বক্তব্যের বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কোনো প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।





কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad