বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ওহাব মিনার ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এ উদ্বেগের কথা জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেন, বিসিএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পিএসসির সুপারিশ পাওয়ার পরও কোনো প্রার্থীর নিয়োগ আটকে যাওয়া উদ্বেগজনক। একটি চাকরি শুধু একজন তরুণের কর্মসংস্থানের বিষয় নয়; এর সঙ্গে একটি পরিবারের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাও জড়িত। তাই নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, ন্যায়সংগত আচরণ ও মানবিকতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এবি পার্টির দুই নেতা বলেন, কোনো প্রার্থী ব্যক্তিগতভাবে ফৌজদারি অপরাধ, রাষ্ট্রবিরোধী বা আইনত নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকলে শুধু তার রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা পরিবারের কোনো সদস্যের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে নিয়োগ আটকে দেওয়া উচিত নয়। তাদের মতে, সরকারি চাকরিতে প্রার্থীর মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার নিজস্ব মেধা, যোগ্যতা, সততা ও ব্যক্তিগত রেকর্ডের ভিত্তিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে তারা আরও বলেন, অতীতে রাজনৈতিক পরিচয় ও পারিবারিক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে মেধাবীদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে ক্ষমতাসীনদের আমলেও একই ধরনের অভিযোগ উঠলে তা প্রশ্নের জন্ম দেবে। তাদের ভাষ্য, ক্ষমতার পরিবর্তনের পাশাপাশি রাষ্ট্রের আচরণ ও বঞ্চনার সংস্কৃতিতেও পরিবর্তন আসা প্রয়োজন।
এবি পার্টির নেতৃদ্বয় ৪৯তম বিসিএসের গেজেট থেকে বাদ পড়া ৫৭ প্রার্থীর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশের দাবি জানান। একই সঙ্গে ফৌজদারি অপরাধে জড়িত নন—এমন প্রার্থীদের গেজেটে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানান তারা।
পাশাপাশি চাকরিপ্রত্যাশীদের অস্বচ্ছ ও হয়রানিমূলক ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত রাখারও দাবি জানিয়েছেন দলটির নেতারা।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক