শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস কমিটির ডেমোক্র্যাটদের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন। এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির জন্য যুদ্ধকে দায়ীগ্রেগরি মিকস ইরান যুদ্ধকে ‘বিপর্যয়কর’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এ যুদ্ধের কারণে পেট্রল ও ডিজেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। এর আর্থিক বোঝা বহন করতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষকে।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, যুদ্ধের প্রভাব সরাসরি জনগণের ব্যয়ের ওপর পড়ছে।
রাশিয়া থেকে ডিজেল কেনার সিদ্ধান্তে সমালোচনাশুক্রবার রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনার বিষয়ে ট্রাম্পের ঘোষণারও বিরোধিতা করেন মিকস। তাঁর অভিযোগ, রাশিয়ার জ্বালানি ক্রেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আইনে সই করার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ট্রাম্প নিজের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।
মিকস বলেন, এ অবস্থান পরিবর্তনের তিনি নিন্দা জানান। তাঁর মতে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের কারণে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর পরিবর্তে ট্রাম্প তাঁকে তুষ্ট করার নীতি অনুসরণ করছেন।
রাশিয়া থেকে আসছে ডিজেলএর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়া অবিলম্বে তিন লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। নভেম্বরে এবং পরবর্তী সময়েও আরও জ্বালানি সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির জন্য যুদ্ধকে দায়ী করা এবং রাশিয়া নীতির সমালোচনা—এগুলো ডেমোক্র্যাট সদস্যদের বক্তব্য।

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক