যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে বিতর্কের মধ্যে নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এ ঘটনায় নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার সম্ভাবনা নিয়ে কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে ফাঁসিয়ে দেওয়া যায় না কোনোভাবে? মে ২০২৬-এর পদোন্নতির জন্য তো আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছেই। আবারও প্রশ্নফাঁস ও নিয়োগ বাণিজ্যের যুগ শুরু হলো!’
পরীক্ষা স্থগিত ঘিরে ক্ষোভযুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে শনিবার বেলা ১১টায় নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীরা। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, টেকনিক্যাল মোড়সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাঁদের অবস্থানের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে কর্মজীবী মানুষ, যাত্রী ও সাধারণ পথচারীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্নপ্রশ্নপত্র ফাঁস ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা স্থগিতের ঘটনায় নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পোস্টেও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধানের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের সত্যতা, এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা আসিফ মাহমুদের সঙ্গে এ ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো প্রমাণ বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক