সোমবার (১৯ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মাঠপর্যায়ে অপরাধপ্রবণ কিশোরদের শনাক্ত করা, গ্যাংকেন্দ্রিক অপরাধ প্রতিরোধ এবং অপরাধ সংঘটিত হলে দ্রুত আইনি ও সামাজিক পদক্ষেপ নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারের অভিযোগসাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, মারামারি, আধিপত্য বিস্তার ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান জোরদার করা হলেও আশানুরূপ সুফল না মেলায় উপজেলা পর্যায়ে সমন্বিত প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থার আওতায় অপরাধপ্রবণ কিশোরদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ, অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কাউন্সেলিং এবং অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
আগেও বাড়ানো হয়েছিল আইনশৃঙ্খলা কমিটির কার্যপরিধিএর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিগুলোর কার্যপরিধি বাড়িয়ে কিশোর গ্যাং, হত্যা, ছিনতাই, অপহরণ ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এবারের উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও নজরদারি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক