মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে গোলাম পরওয়ার এ কথা বলেন।
তিনি জানান, অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে সরকারের অন্য অতিথিদের নাম থাকলেও বিরোধীদলীয় নেতার নাম ছিল না। এমনকি কোন পরিচয়ে তাঁকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে, সেটিও উল্লেখ করা হয়নি।
গোলাম পরওয়ার প্রশ্ন তুলে বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার নাম আমন্ত্রণপত্রে না থাকলে তিনি সেখানে কী পরিচয়ে উপস্থিত হবেন? তাঁকে কি দর্শক সারিতে বসতে হবে?
বিরোধীদের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভএর আগে সোমবার রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের ফলক উন্মোচন এবং আধুনিকায়ন করা ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাঁদের আত্মত্যাগের কারণে বিরোধী দলের নেতারা আজ বিরোধীদলীয় নেতা ও সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন, সেই শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে তাঁদের থাকা উচিত ছিল।
তিনি আরও বলেন, শুধু বিরোধিতা করার জন্য বিরোধিতা করলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সংসদে বিরোধী দল অবশ্যই সরকারের সমালোচনা করবে, তবে তা হতে হবে গঠনমূলক।
পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
আমন্ত্রণের প্রটোকল নিয়ে প্রশ্নজুলাই শহীদদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতার অনুপস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের এ ব্যাখ্যা সামনে এল। গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য অনুযায়ী, আমন্ত্রণপত্রে বিরোধীদলীয় নেতার নাম ও তাঁর উপস্থিতির পরিচয় উল্লেখ না থাকাই অনুষ্ঠানে না যাওয়ার কারণ।
তবে আমন্ত্রণপত্রে নাম না থাকার বিষয়ে আয়োজক কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য সরবরাহ করা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক