পিরোজপুরের নাজিরপুরে ইঞ্জিনচালিত খেয়া নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ গৃহবধূ রিনা বেপারীর মরদেহ তিন দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের মধুরাবাদ এলাকার কালীগঙ্গা নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশের সহায়তায় স্থানীয় প্রশাসন।
নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় সেটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রিনা বেপারী পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভরতকাঠি গ্রামের শংকর বেপারীর স্ত্রী।
পূজা দেখে ফেরার পথে নৌকাডুবিপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর শংকর বেপারী স্ত্রী রিনা ও ৯ বছরের মেয়ে অর্পিতাকে নিয়ে নাজিরপুরের শ্রীরামকাঠীতে দুর্গাপূজা দেখতে যান। পূজা শেষে বাড়ি ফেরার জন্য তাঁরা শ্রীরামকাঠী ফেরিঘাট থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত খেয়া নৌকায় ওঠেন।
নৌকাটি নেছারাবাদের ভরতকাঠি ফেরিঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পরই কালীগঙ্গা নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটিতে অন্তত ৫০ জন যাত্রী ও ছয়টি মোটরসাইকেল ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই দুর্ঘটনায় শংকর বেপারী ও তাঁর মেয়ে অর্পিতার মৃত্যু হয়। নিখোঁজ ছিলেন রিনা বেপারী। তিন দিন পর তাঁর মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এলো।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক