শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬১০ জন। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ২৭৬ জন।
সামগ্রিক ফলেও পাসের হার কমেছে
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
গত বছর সামগ্রিক পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। ফলে এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা—দুটিই কমেছে।
পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৪০ হাজারের বেশি
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন। সারা দেশে ২ হাজার ৭৬০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পরে শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়।
গত ২ জুলাই চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা মিলিয়ে অধিকাংশ বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর শেষ হয়।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক