ম্যাচের শুরু থেকেই আলাভেসের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে বার্সেলোনা। অষ্টম মিনিটে পেদ্রির পাস থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন রাফিনিয়া। ২৩ মিনিটে ইয়ামালের সহায়তায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফারমিন লোপেজ।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বার্সা। ৪১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন রাফিনিয়া। বিরতির ঠিক আগে জোয়াও কান্সেলোর পাস থেকে জালে বল পাঠিয়ে ব্যবধান ৪-০ করেন ইয়ামাল।
দ্বিতীয়ার্ধেও বার্সার গোল উৎসববিরতির পরও আক্রমণ অব্যাহত রাখে স্বাগতিকরা। ৬২ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা গ্যাব্রিয়েল জেসুসের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ইয়ামাল। চলতি লা লিগায় ১১ ম্যাচে এটি তার দশম গোল।
৮১ মিনিটে রদ্রির পাস ধরে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান বদলি খেলোয়াড় অ্যান্থনি গর্ডন। ৮৮ মিনিটে আলাভেসের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মারিয়ানো দিয়াজ। শেষ পর্যন্ত ৬-১ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।
বল দখল ও আক্রমণেও একচ্ছত্র আধিপত্যম্যাচে ৭৭ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রাখে বার্সেলোনা। লক্ষ্যে সাতটি শট নিয়ে ছয়টিতেই গোল করে তারা। অন্যদিকে আলাভেস লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র তিনটি শট।
এই জয়ে ১১ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে বার্সেলোনা। ২৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। এক ম্যাচ কম খেলে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রিয়াল মাদ্রিদ।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজির কাছে হার এবং এল ক্লাসিকোয় পরাজয়ের পর আলাভেসের বিপক্ষে এই বড় জয় বার্সেলোনার জন্য স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস ফেরানোর উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স