বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সেন্টমার্টিনের সার্বিক নিরাপত্তা, অপরাধ দমন এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে দায়িত্ব পালন করছে কোস্ট গার্ড।
এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত পর্যটকবাহী জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে উচ্চগতিসম্পন্ন বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য অপরাধ ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
কোস্ট গার্ড জানায়, পর্যটকদের যাত্রাপথে কোনো দুর্ঘটনা কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা নিশ্চিত করতে সংস্থাটির জাহাজ ও বোট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে পর্যটক ও যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে কোস্ট গার্ড সদস্যরা তৎপর রয়েছেন।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন আরও বলেন, সেন্টমার্টিনের পর্যটন পরিবেশ সুরক্ষা, নিরাপদ সমুদ্রযাত্রা নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের জানমালের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ডের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ সময় জরুরি প্রয়োজনে কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ ফোন করে সহায়তা নেওয়ার জন্য পর্যটকসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজনের বক্তব্য এবং দৈনিক যুগান্তরের ৫ নভেম্বর ২০২৬-এর প্রতিবেদন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক