বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
পোস্টে তিনি লেখেন, নাহিদ ইসলাম আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেও গার্মেন্টস শ্রমিকেরা কাজে ফিরে গেছেন। তাঁর দাবি, নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন আর ১০০ জন লোকও জড়ো হবে না। এ পরিস্থিতিকে এনসিপির সাংগঠনিক দুর্বলতা ও নাহিদের নেতৃত্বের অবনতির প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শুধু একটি পক্ষই সব ভূমিকা রেখেছিল—এমন ধারণা থেকে এনসিপি নেতৃত্বের মধ্যে অহংবোধ তৈরি হয়েছে কি না। তাঁর ভাষ্য, গণঅভ্যুত্থানে অন্যদের অবদান অস্বীকার করার প্রবণতা যত বাড়বে, ততই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে হবে নাহিদ ইসলামকে।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, নাহিদ ইসলামের সঙ্গে কারা রয়েছেন এবং কারা তাঁকে ছেড়ে যাচ্ছেন, তা তাঁর উপলব্ধি করা প্রয়োজন। সামান্তা শারমিনের মতো নেত্রীকে দলটিতে ধরে রাখতে না পারলে সাধারণ মানুষ কেন তাঁর আহ্বানে রাজপথে নামবে, সেই প্রশ্নও তোলেন রাশেদ খান।
এনসিপির নেতৃত্ব, সাংগঠনিক অবস্থান ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাশেদ খানের এসব মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক