বিকেল ৩টার পর র্যালির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
যেসব সড়ক ঘুরে যায় র্যালি
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি কাকরাইল, প্রধান বিচারপতির বাসভবনের পাশ, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পৌঁছায়।
এর আগে বিকেল পৌনে ৩টা থেকে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালিতে ছিলেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা
র্যালিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অংশ নেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণ ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এজেডএম ডা. জাহিদ হোসেন, আমানউল্লাহ আমান ও ফরহাদ হালিম ডোনার।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপিসহ ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা র্যালিতে অংশ নেন।
দিবসটির ইতিহাস তুলে ধরার উদ্যোগ
বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ২০ বছর পর এবার নির্বিঘ্নে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করছে দলটি। দলটির দাবি, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দিবসটি নিয়ে অপপ্রচার ও ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে। ফলে নতুন প্রজন্ম দিবসটির ঘটনা, প্রভাব ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে যথাযথভাবে জানার সুযোগ পায়নি।
ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক