ধর্ষণকাণ্ডে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সেই আলোচিত চিকিৎসকের থানায় জিডি
ধর্ষণকাণ্ডে নিরাপত্তা চেয়ে নেত্রকোনার মদন থানায় জিডি করেছেন সেই আলোচিত চিকিৎসক সায়মা আক্তার।বৃহস্পতিবার(৭ই মে)সকালে তিনি এই জিডি করেন বলে জানা যায়।
জিডি সূত্রে জানা যায়, গত (৩ মে) মদনের আলোচিত শিশু ধর্ষণের ঘটনায় একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও অজ্ঞাতনামা মোবাইল নাম্বার থেকে গণধর্ষণ ও হত্যার হুমকি পেয়ে আসছিলেন ডাক্তার সায়মা আক্তার। তাই তার ও তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে মদন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে ডাঃ সায়মা আক্তার জানান, আমি প্রতি বৃহস্পতিবার মদন উপজেলার স্বদেশ ডায়গনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখি। গত ৩০ শে এপ্রিল দুপুরে ১১ বছরের এক শিশু আসে তার মা সহ আমার চেম্বারে। তখন সেই শিশুটি তার শারীরিক অসুবিধার কথা জানান আমাকে। তখন আমি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানতে পারি সে ২৭ সাপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। তখন আমি শিশুটি এবং তার মার কাছে জানতে চাইলে সেই শিশুটি জানায় মাদ্রাসার হুজুর আমার সাথে জোরপূর্বক সম্পর্ক করেছে।পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে একটি বেসরকারি টেলিভিশন আমার কাছে এসে শিশুটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে সেই বিষয়টি আমি তাদেরকে জানাই। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও অজ্ঞাতনামা ফোন নাম্বার থেকে আমাকে গণধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে।
ডাঃ সায়মা আরও নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর সাহেবের সাথে কথা বললে তিনি আমাকে জিডি করার কথা বলেন। তাই আমি আমার ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে মদন থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেছি আজ।
জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে মদন থানার ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, আজ আমার থানায় ডাঃ সায়মা আক্তার একটি জিডি করেছেন।বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মোঃ আল আমিন হোসেন,বার্তা সম্পাদক