হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
হাসপাতালগুলোতে আলাদা ওয়ার্ড, দ্রুত ভর্তি ও আইসোলেশন জোরদারের নির্দেশ
দেশে হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সরকারি হাসপাতালগুলোকে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্দেশনায় আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন, দ্রুত ভর্তি ও চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং আইসোলেশন ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের সব সরকারি হাসপাতালে হাম রোগী ও সন্দেহভাজন রোগীদের জন্য অবশ্যই পৃথক ওয়ার্ড বা কেবিন রাখতে হবে, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করা যায়।
এছাড়া কোনো হাসপাতালেই হাম রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না—আগত রোগীদের দ্রুত ভর্তি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত রাখার পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়মিত রাউন্ড নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আইসোলেশন ওয়ার্ডে দর্শনার্থী প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। একজন রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক বা দর্শনার্থী থাকতে পারবেন বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।
হাসপাতালগুলোকে প্রতিদিন হাম রোগীদের তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস সার্ভারে আপলোড করতে বলা হয়েছে। জরুরি সহায়তা ও তথ্যের জন্য একটি হটলাইন নম্বরও (০১৭৫৯১১৪৪৮৮) চালু করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে হাসপাতালে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।

এইচএম মোকাদ্দেস,নির্বাহী সম্পাদক