কুমিল্লায় ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কেন্দ্রীয় শিবির নেতা জিসান মিয়াকে দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২১ জুন) দুপুর ৩টার দিকে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৩-এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ এ আদেশ দেন। পুলিশ ৮ দিনের রিমান্ড আবেদন করলেও আদালত শুনানি শেষে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার তদন্তকারী সংস্থা কুমিল্লা ডিবির ওসি শামসুল আলম শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত ১২ জুন রাতে জেলার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে জিসান মিয়াকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বলে জানা যায়। ওই ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে জিসানকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ ও সহায়তার অভিযোগে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে গত সপ্তাহে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযুক্ত জিসান মিয়া রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি বলেও জানা গেছে। ঘটনার পর সংগঠন থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা হলেন সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) ও সজীব হাসান (২১)।
অভিযুক্ত জিসানের আইনজীবী মনির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল, তবে আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স