সিরাজগঞ্জে ২০০ কৃষকের হাতে জিংকসমৃদ্ধ বিনাধান-২০ বীজ, পুষ্টি নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগ

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

পুষ্টিহীনতা মোকাবিলা ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় ২০০ কৃষকের মাঝে জিংক বায়োফর্টিফাইড বিনাধান-২০-এর বীজ বিতরণ এবং কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ কক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মাল্টিসেক্টরাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভমেন্ট নিউট্রিশন (মেইন) প্রকল্পের আওতায় নিউট্রিশাস অ্যাগ্রিকালচার বাংলাদেশ লিমিটেড এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), সিরাজগঞ্জ যৌথভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে।

অনুষ্ঠানে প্রত্যেক কৃষককে ৫ কেজি করে মোট ১ হাজার কেজি জিংক বায়োফর্টিফাইড বিনাধান-২০-এর বীজ বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কৃষকদের জিংকের পুষ্টিগুণ, জিংকসমৃদ্ধ ধানের উপকারিতা, বিনাধান-২০-এর বৈশিষ্ট্য এবং আধুনিক চাষাবাদ প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে মানসম্মত বীজ ব্যবহার, সঠিক পরিচর্যা এবং উৎপাদিত জিংকসমৃদ্ধ চাল পারিবারিক খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জের উপপরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মো. আনোয়ার সাদাত, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. রেজাউল হক, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম নাসিম হোসেন, নিউট্রিশাস অ্যাগ্রিকালচার বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মজিবর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বক্তারা বলেন, জিংক বায়োফর্টিফাইড ধানের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে বিশেষ করে মা, শিশু ও কিশোরীদের জিংক ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি কৃষকরা উন্নত জাতের বীজের সুবিধা পাবেন এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যের প্রাপ্যতাও বাড়বে।

আয়োজকরা জানান, চলতি মৌসুমে মেইন প্রকল্পের আওতায় সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া উপজেলায় মোট ৮০০ কৃষকের মাঝে ৫ কেজি করে মোট ৪ হাজার কেজি জিংক বায়োফর্টিফাইড বিনাধান-২০-এর বীজ বিতরণ করা হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে জেলায় জিংকসমৃদ্ধ ধানের উৎপাদন, ভোগ ও সম্প্রসারণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad