টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। শুরু থেকেই আব্বাসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা। মাত্র ৩৬ রানে তিন উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। বেন ডাকেট ১৭, এমিলো গে ৮ এবং অধিনায়ক জো রুট ৪ রান করে আব্বাসের শিকার হন।
এরপর জর্ডান কক্স ও হ্যারি ব্রুক চতুর্থ উইকেটে ৪১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। ব্রুক ১৫ রানে মোহাম্মদ আলির বলে আউট হন। পরে ড্যান লরেন্সকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৪৩ রান যোগ করেন কক্স। তবে ১৭ রানে রানআউট হয়ে ফেরেন লরেন্স। ১২০ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে ইংল্যান্ড।
ষষ্ঠ উইকেটে জেমি স্মিথকে নিয়ে ৬৭ রানের জুটি গড়ে দলকে বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন কক্স। খুররাম শাহজাদের বলে সেই জুটি ভাঙার আগে টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক তুলে নেন কক্স। ৭টি চারে ৫৫ রান করেন তিনি।
কক্স ফেরার পর গাস অ্যাটকিনসনকে নিয়ে আরও ৩৫ রান যোগ করে ইংল্যান্ডকে দুই শ রান পার করেন স্মিথ। নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম অর্ধশতক তুলে নেওয়া স্মিথ শেষ পর্যন্ত আলির বলে বোল্ড হন। ১০টি চারে তাঁর সংগ্রহ ৬১ রান।
২২২ রানে সপ্তম উইকেট হিসেবে স্মিথ ফেরার পর দ্রুত আরও দুই উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ওলি রবিনসনকে শূন্য রানে ফেরান আলি। এরপর জোফরা আর্চারকে ১৪ রানে আউট করে নিজের চতুর্থ উইকেট নেন আব্বাস।
দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় ইংল্যান্ডের গাস অ্যাটকিনসন ৩৪ ও জশ টাং ১ রানে অপরাজিত ছিলেন। পাকিস্তানের হয়ে আব্বাস ৫৬ রানে ৪টি এবং মোহাম্মদ আলি ৬৭ রানে ৩টি উইকেট নিয়েছেন।
ফলে প্রথম দিনেই পাকিস্তানের পেস আক্রমণের সামনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিন দ্রুত শেষ উইকেট দুটি তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের বড় সংগ্রহে পৌঁছানো ঠেকানোই এখন পাকিস্তানের লক্ষ্য।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স