এমএজি জানিয়েছে, সাইবার হামলায় গ্রাহকদের ই-মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর, গাড়ির নিবন্ধন নম্বর ও পোস্টকোডের মতো তথ্য হ্যাকারদের হাতে গেছে। এসব তথ্য বিমানবন্দরের ওয়াই-ফাই ব্যবহারের জন্য নিবন্ধন এবং গাড়ি পার্কিং, লাউঞ্জ ও ফাস্ট-ট্র্যাক সেবার বুকিংয়ের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।
তবে এ ঘটনায় ব্যাংক হিসাব, পেমেন্ট কার্ড বা অন্যান্য আর্থিক তথ্য আক্রান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে বিমান চলাচল, যাত্রী নিরাপত্তা কিংবা বিমানবন্দরগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমেও কোনো প্রভাব পড়েনি।
এমএজি জানায়, সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড শনাক্ত করার পর তারা দ্রুত সাইবার হামলার ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারও ঘটনাটি মোকাবিলায় কাজ করছে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিমানবন্দর বা ভ্রমণসেবা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ে পাঠানো সন্দেহজনক ই-মেইল, খুদে বার্তা বা ফোনকলের মাধ্যমে ব্যক্তিগত কিংবা আর্থিক তথ্য চাওয়া হলে তা যাচাই না করে কোনো তথ্য না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ফাঁস হওয়া যোগাযোগের তথ্য ব্যবহার করে প্রতারণামূলক বার্তা বা ‘ফিশিং’ হামলা চালানোর চেষ্টা হতে পারে।
ব্রিটেনে সাম্প্রতিক সময়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে একাধিক সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বড় কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও আক্রান্ত হয়েছে। নতুন এই হামলা দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন অবকাঠামোর সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক