গুণীজনের সম্মাননা তরুণদের ভালো কাজে উৎসাহিত করবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২০ রাত
  • ৯৪৬০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

সমাজ ও দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা গুণীজনদের স্বীকৃতি ও সম্মাননা নতুন প্রজন্মকে ভালো কাজে অনুপ্রাণিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ওসমান জামাল মিলনায়তনে ‘শত বছরের সফল ব্যক্তি স্মারক সম্মাননা এবং প্রকাশনা ও সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ধর্ম, দল কিংবা পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সমাজ ও দেশের জন্য যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাদের কর্ম ও অবদানকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। পাশাপাশি তাদের জীবন ও কর্মের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। এতে তরুণরা সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক কাজে আরও উৎসাহিত হবে।

বর্তমান প্রজন্মের বই পড়ার অভ্যাস কমে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে তরুণদের মধ্যে বই পড়ার প্রবণতা কমছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষতিকর ও অনুপযুক্ত কনটেন্টের বিস্তার শিশু-কিশোরদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব বিষয়ে সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া ও ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরির প্রবণতাও উদ্বেগজনক। এ ধরনের অপব্যবহার ঠেকাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে কার্যকর একটি কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইলের গুণী ব্যক্তিদের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা ও জনকল্যাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে টাঙ্গাইলের অনেক মানুষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাদের জীবন ও কর্ম সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে বই প্রকাশ এবং গ্রন্থাগারগুলোতে তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, সৃজনশীলতা ও কর্মের মাধ্যমে যারা সমাজে অবদান রাখছেন, তাদের স্বীকৃতি অন্যদেরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে।

অনুষ্ঠানে শত বছরের সফল ব্যক্তিদের স্মরণে বিভিন্ন প্রকাশনা প্রকাশ ও গুণীজনদের সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি আটটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। আয়োজকরা জানান, সফল ও গুণী ব্যক্তিদের জীবন, কর্ম ও অবদানকে স্মরণীয় করে রাখা এবং সমাজে ইতিবাচক চিন্তার প্রসার ঘটানোই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

ছায়ানীড়ের সভাপতি ড. ইউসুফ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৮ (কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য মো. লুৎফর রহমান মতিন ও ছায়ানীড়ের উপদেষ্টা আব্দুল কাশেম চৌধুরী। এছাড়া ছায়ানীড়ের প্রশাসনিক পরিচালক শায়খানাজে রহমান, নির্বাহী পরিচালক মো. লুৎফর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি, লেখক, সংস্কৃতিকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad