শনিবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা’ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশকে আরও জনবান্ধব ও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি বাহিনীতে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে পুলিশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হচ্ছে।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দা তথ্য ও সহযোগিতা নিয়ে পুলিশের বিশেষ ইউনিট ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। অস্ত্র উদ্ধারে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে তথ্যদাতাদের উৎসাহিত করা হবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, সারা দেশে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। দায়িত্ব পালনে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা। এ দায়িত্ব পালনে বাহিনীর সদস্যদের আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং পুলিশের বিপুলসংখ্যক অস্ত্র লুট হয়। ক্ষতিগ্রস্ত থানাগুলোর কার্যক্রম ইতোমধ্যে পুনরায় সচল হয়েছে। তবে ওই সময় পুলিশের লুট হওয়া ১ হাজার ৩২৬টি অস্ত্রের এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এসব অস্ত্র উদ্ধারে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় পুলিশের বিশেষ ইউনিটের কার্যক্রমকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মো. জাকির হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার