পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শুক্রবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে মাইক্রোবাসে করে প্রায় ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল বাড়িতে আসে। পরে তারা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যাপক তল্লাশি চালায়।
ফরিদুল আলমের অভিযোগ, ডাকাতদের হাতে বন্দুক, পিস্তল, ছুরি ও বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র ছিল। ডাকাতির সময় বাড়িতে থাকা গৃহবধূসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এতে তারা আহত হয়েছেন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
একপর্যায়ে ডাকাত দলের উপস্থিতির খবর পেয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা এগিয়ে এলে তারা দ্রুত মাইক্রোবাসে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল হক জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে ডাকাতদের শনাক্ত করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ফরিদুল আলম।
এদিকে সংঘবদ্ধ সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনায় চাইল্যাতলী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, লুট হওয়া স্বর্ণালঙ্কার ও অর্থ উদ্ধারের পাশাপাশি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক