হল প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে হলের ছাদে গাঁজার আসর বসেছে—এমন খবর পেয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক সুপন দুই আবাসিক শিক্ষক রনি মৃধা ও সাইফুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। এ সময় তারা একদল শিক্ষার্থীকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় দেখতে পান।
প্রভোস্ট তাদের গাঁজা সেবন বন্ধ করতে বললে শিক্ষার্থীরা দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক সুপন বলেন, গাঁজা সেবনের খবর পেয়ে তিনি দুই হাউজ টিউটরকে সঙ্গে নিয়ে ছাদে যান। সেখানে একদল শিক্ষার্থীকে গাঁজা সেবন করতে দেখেন। তাদের থামতে বলা হলেও তারা দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গাঁজা ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর হলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িত শিক্ষার্থীদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হল প্রশাসন। শনাক্ত শিক্ষার্থীরা হলেন—২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মোরশেদুল ইসলাম আকাশ, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সিফাত হোসেন, একই শিক্ষাবর্ষের ওবাইদুর রহমান ত্বকি, যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের পলক সানজিদ শুভ এবং ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সুমন আহাম্মেদ।
তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ওবাইদুর রহমান ত্বকি শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগে পড়াশোনা করছেন। তিনি স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে হল প্রশাসন। প্রভোস্ট অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক সুপন বলেন, বিষয়টি নিয়ে হল প্রশাসন বৈঠক করবে এবং দ্রুতই সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক