শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা কবরস্থানে গিয়ে পাঁচটি কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান। এর মধ্যে পাশাপাশি তিনটি এবং কিছুটা দূরে আরও দুটি কবর ছিল। কবরের মাটি সরিয়ে ফেলা এবং দাফনের কাপড় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চুরি হওয়া কঙ্কালগুলোর কবর প্রায় এক থেকে দেড় বছর আগে দেওয়া হয়েছিল। পরে মৃত ব্যক্তিদের স্বজনরা খোঁড়া কবরগুলো আবার মাটি দিয়ে ঢেকে দেন।
স্থানীয় বাসিন্দা কাউসার রহমান দুলাল বলেন, লোকজনের সমাগম দেখে তিনি কবরস্থানে গিয়ে পাঁচটি কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান। কঙ্কাল চুরির ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
আরেক বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেন, ফেসবুকে বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচটি কবর খোঁড়া দেখতে পান। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক