প্রথম দর্পণে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসল পল্লী বিদ্যুৎ, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

  • মো. জাকির হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোড সময় : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ বিকাল
  • ২৭৫৫১ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার চড়বিলা গ্রামে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং সরকারি খুঁটির বদলে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের খুঁটি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে 'প্রথম দর্পণ' অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। অনিয়ম খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

​ভুক্তভোগী ইসরাফিলের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুতের অনুমোদিত ইলেকট্রিশিয়ান আল-আমিন আলী তাকে সরকারি খুঁটি ও দুটি নতুন মিটার দেওয়ার কথা বলে ২৮ হাজার টাকা নেন। কিন্তু দুই বছর পার হয়ে গেলেও বৈধ সংযোগ পাননি তিনি। উল্টো একটি কাঠের খুঁটি দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বাড়িতে বিদ্যুৎ লাইন টেনে রাখা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত ইলেকট্রিশিয়ান ২৮ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি মাত্র ৬ হাজার টাকা নিয়েছেন।

সংবাদ প্রকাশের পর চড়বিলা গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে ৬ হাজার বনাম ২৮ হাজার টাকার সত্যতা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের খুঁটি দিয়ে অবৈধ লাইন টানার মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে।

​সলঙ্গা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান, গ্রাহক হয়রানি ও অনিয়মের বিষয়ে সমিতি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। সংবাদের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হলে দায়ী ইলেকট্রিশিয়ানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এদিকে ভুক্তভোগী ইসরাফিল তার টাকা ফেরত পাওয়া অথবা দ্রুত বৈধ সংযোগের দাবি জানিয়ে বলেন, আমি শুধু আমার টাকা বা সংযোগ ফেরত চাই না, আর কোনো সাধারণ গ্রাহক যেন এভাবে প্রতারিত না হয়—তার সঠিক বিচার চাই। এখন দেখার বিষয়, তদন্ত শেষে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং ভুক্তভোগী পরিবারটি কবে নাগাদ বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ পায়।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad