প্রাথমিকের নতুন কারিকুলামে স্পিকিং-লিসেনিংয়ে বিশেষ গুরুত্ব

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ দুপুর
  • ২২৬৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
প্রাথমিকের নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের শ্রবণ (লিসেনিং) ও কথন (স্পিকিং) দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, শুধু পড়া ও লেখার দক্ষতা অর্জন যথেষ্ট নয়। শিক্ষার্থীদের শুনে বোঝা, সঠিকভাবে কথা বলা এবং নিজের ভাবনা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার সক্ষমতা গড়ে তুলতে কারিকুলামে প্রয়োজনীয় অনুশীলন ও কার্যক্রম যুক্ত করা হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার পিটিআইতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ টিএমটিই (ট্রেনিং অব মাস্টার ট্রেইনার্স ইন ইংলিশ) সদস্য সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ভাষা শিক্ষার চারটি মৌলিক দক্ষতা—শুনে বোঝা, বলে প্রকাশ করা, পড়ে বোঝা এবং লিখে প্রকাশ করা—সমান গুরুত্ব দিয়ে শেখাতে হবে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শ্রবণ দক্ষতা তৈরিতে আরও বেশি মনোযোগ প্রয়োজন। ভাষা শেখার ক্ষেত্রে নিয়মিত শোনা ও অনুশীলনের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক কিংবা প্রকৌশলী হওয়ার জন্য নিজ নিজ বিষয়ে দক্ষতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক জ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সক্ষমতা থাকতে হবে। ইংরেজি ভাষায় বিপুল বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান সংরক্ষিত রয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের সেই জ্ঞান ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা জরুরি।

তিনি বলেন, শুধু সাক্ষরতার হার বাড়ালেই শিক্ষিত সমাজ তৈরি হয় না। এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি তা বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারবে এবং বিশ্বজ্ঞান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা সবার অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করতে হবে এবং তা সবার কাছে পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থা হতে হবে দক্ষতাভিত্তিক, ক্যারিয়ারমুখী ও নৈতিকতাসম্পন্ন। এ লক্ষ্য অর্জনে ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

প্রাথমিক শিক্ষায় শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষাদান যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভিডিও, ওয়ার্কবুক, ডিজিটাল কনটেন্ট, খেলা ও অন্যান্য আধুনিক শিক্ষণ-উপকরণ কীভাবে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে শিক্ষকদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে।

তিনি বলেন, পরিবর্তন প্রয়োজন। তবে সেই পরিবর্তন হতে হবে সুনির্দিষ্ট, বাস্তবভিত্তিক ও ফলাফলনির্ভর। শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বিষয়ে স্পষ্ট প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

টিএমটিই বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক রিয়াজ পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের উপ-পরিচালক মারিয়া রেহমান। অনুষ্ঠানে টিএমটিই বাংলাদেশের সদস্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad