বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, আল্লাহ তায়ালা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা দিয়েছেন। তাই রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি জাকাত আদায়ের ব্যবস্থা করে মানুষের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
তিনি বলেন, সংবিধানে একসময় ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসই হইবে সকল কার্যাবলীর ভিত্তি’ উল্লেখ ছিল। তবে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তা বাতিল করা হয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছেন, তাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা উচিত। নামাজ আদায়কারীদের মানুষ সৎ ও বিশ্বস্ত হিসেবে বিবেচনা করে।
জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, কোরআন মাজিদে নামাজের পাশাপাশি জাকাত আদায়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নামাজ মানুষের চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে জাকাতের মাধ্যমে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দূর করা সম্ভব। তাই কোরআনের এই দুই বিধান বাস্তবায়ন করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষকে একদিন মৃত্যুবরণ করতে হবে। মৃত্যুর পর প্রথমেই নামাজের হিসাব দিতে হবে। তাই নিজেদের নামাজ আদায়ের পাশাপাশি দেশে নামাজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, সন্তানদের পাঁচ বছর বয়স থেকেই নামাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত এবং ১০ বছর বয়স হলে প্রশাসনিকভাবে নামাজের প্রতি তাগিদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা দরকার। রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজ ও জাকাতের বিধান কার্যকর করা হলে নাগরিকদের চরিত্র উন্নত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মো. জাকির হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার