বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) উত্তরার দোলনচাঁপা শুটিং হাউজে নতুন একটি নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এ অবস্থান জানান তিনি।
আরশ খান বলেন, ‘জুলাইযোদ্ধা’ শব্দটি এখন বিকৃতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং অনেকে এ পরিচয়কে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগিয়েছেন। ফলে শব্দটি শুনলে এখন আর আগের মতো ভালো লাগে না।
তবে জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, উত্তরার সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতেই তিনি রাজপথে নেমেছিলেন। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও তাদের জন্য রাজপথে নামবেন। তবে ক্ষমতার চর্চায় থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক বা মিল নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সম্প্রতি ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের হেনস্তার ঘটনা এবং দেশে ‘মব কালচার’ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আরশ। তাঁর মতে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কিংবা দলবদ্ধভাবে কাউকে হেনস্তা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যেকোনো সমস্যার সমাধানে আইনি পথ অনুসরণ করা উচিত।
রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, মানুষ হিসেবে নিজেদের পরিচয়ের চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। নারীদের রাস্তায় হেনস্তার ঘটনাও কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
আরশ বলেন, শুধু বাঁধন নন—কোনো নারী বা পুরুষের সঙ্গেই এ ধরনের আচরণ তিনি সমর্থন করেন না।

প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স