তিনি বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশের জন্য সুখবর। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সভাপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই রোহিঙ্গা সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান হবে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।
বুধবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নিয়মিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, ১৯৭৮ সাল থেকে কয়েক দফায় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জীবন বাঁচানোর তাগিদে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। পরবর্তী প্রজন্মসহ বর্তমানে তাদের সংখ্যা আরও বেড়েছে। তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কক্সবাজার ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে তাদের ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সরকারকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তাঁকেই সামনে থেকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
সভায় নগর সেক্রেটারি কেএম শরীয়াতুল্লাহ বলেন, দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। দেশ ও জনগণের প্রতি সরকারের দায়িত্বশীলতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, জনগণকে দুমুঠো ভাতের নিশ্চয়তা দিতে না পারলে সরকারের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত। সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম জনগণকে আশাহত করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নগর সেক্রেটারি কেএম শরীয়াতুল্লাহর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নগর জয়েন্ট সেক্রেটারি ফজলুল হক মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা কামাল হোসাইন, টিএম মাহফুজ, হাফেজ সালাহউদ্দীন, মাওলানা তারিক মাসউদ, আলহাজ বেলাল হোসেন আরিফ, মুফতী মাওলানা ওমর ফারুক, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা গাজী নাজিমুদ্দীন, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ আব্দুর রহমান, ছাত্রী ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক আকনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স