কার্দাশিয়ানকে প্রতীকী ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ দিল প্যারিসের আদালত

  • প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ দুপুর
  • ২১১৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
২০১৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে বন্দুকধারীদের হাতে ডাকাতির শিকার হয়েছিলেন মার্কিন তারকা কিম কার্দাশিয়ান। প্রায় এক দশক পর সেই মামলার দেওয়ানি ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাকে প্রতীকী ১ ইউরো দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্যারিসের একটি আদালত। কার্দাশিয়ান নিজেই এই পরিমাণ ক্ষতিপূরণ চেয়েছিলেন।

২০১৬ সালের ২ অক্টোবর প্যারিস ফ্যাশন উইকের সময় বিলাসবহুল হোটেল হোটেল দ্য পুরতালেসে অবস্থান করছিলেন কার্দাশিয়ান। পুলিশের ছদ্মবেশে দুই ব্যক্তি তার কক্ষে ঢুকে তাকে বন্দুকের মুখে জিম্মি করেন। পরে টেপ ও জিপ টাই দিয়ে বেঁধে তার কাছ থেকে ৬০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের গয়না লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল। এর মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ ডলার মূল্যের একটি বাগদানের আংটিও ছিল। অধিকাংশ গয়না এখনো উদ্ধার হয়নি।

ঘটনার পর কার্দাশিয়ান এটিকে তার জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। মামলার শুনানিতে তিনি ওই ঘটনার দীর্ঘস্থায়ী মানসিক প্রভাবের কথা জানান।

আটজন দোষী সাব্যস্ত

এই ডাকাতির ঘটনায় গত বছর আটজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের বয়স ৬০ ও ৭০ বছরের মধ্যে হওয়ায় ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যমে দলটি ‘গ্র্যান্ডপা রবার্স’ বা ‘দাদাদের ডাকাত দল’ নামে পরিচিতি পায়। ডাকাতির মূল হোতা অমর আইত খাদ্দাশেকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে মামলায় দোষী সাব্যস্তদের কেউ নতুন করে কারাগারে যাননি। কারণ, তারা বিচারাধীন অবস্থায় এরই মধ্যে কারাভোগ করেছিলেন। রায়ের বিরুদ্ধে তারা আপিলও করেননি।

ক্ষতিপূরণ পেলেন অন্যরাও

আদালত কার্দাশিয়ানের স্টাইলিস্ট সিমোন হারুশেকেও তার চাওয়া অনুযায়ী ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ডাকাতির সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন।

এ ছাড়া ওই হোটেলের সাবেক এক রিসেপশনিস্টকে ১ লাখ ৯ হাজার ৫১৬ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডাকাতির ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি ৫ লাখ ৫০ হাজার ইউরো ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিলেন। হোটেল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে ৫০ হাজার ইউরো।

রায়ের পর কার্দাশিয়ান ও হারুশে ফরাসি বিচারব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তাদের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অর্থের পরিমাণের বিষয় নয়; বরং ঘটনার স্বীকৃতি ও জবাবদিহির বিষয়। তারা এই কঠিন সময় পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), দ্য গার্ডিয়ান।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad