বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ বিকাল
  • ২৯১১ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষের যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ভিয়েতনামের সঙ্গে বাংলাদেশের পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে দুই দেশের ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং অংশীদারত্বের নতুন ক্ষেত্র সম্প্রসারণ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা গুরুত্বপূর্ণ।

সরাসরি বিমান যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব

সাক্ষাৎকালে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের রাজধানীর মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় তিনি ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি এ আমন্ত্রণের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।

রপ্তানি বাড়াতে ভিয়েতনামের সহযোগিতা চান রাষ্ট্রপতি

দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করার ওপরও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ তৈরিতে ভিয়েতনামের সহযোগিতা কামনা করেন।

বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, বাইসাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিযোগ্য পণ্যের ভিয়েতনামে আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

২০০৩ সালের ভিয়েতনাম সফরের স্মৃতিচারণ

সাক্ষাৎকালে ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে ভিয়েতনাম সফরের স্মৃতিচারণ করেন রাষ্ট্রপতি। সে সময় পাওয়া উষ্ণ আতিথেয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি দুই দেশের জনগণের ঐতিহাসিক বন্ধন ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।

বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বকালে বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে তিনি ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন। একই সঙ্গে ভিয়েতনামের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিববৃন্দ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভিয়েতনাম দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বঙ্গভবনের তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিবেদন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad