সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, নিবন্ধন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এরপর চূড়ান্ত সংখ্যার ভিত্তিতে সৌদি পর্বের অর্থ পাঠানোসহ হজযাত্রীদের মেডিকেল পরীক্ষা, ফিটনেস সনদ, টিকা, প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন মাত্র ৩ হাজার ৭৪১ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জন নিবন্ধন করেছেন।
অর্থাৎ নির্ধারিত কোটার বিপরীতে এখনো ৭৪ হাজার ৭৫৯ জনের নিবন্ধন বাকি রয়েছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এতে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়, সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের হজে গমন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
তথ্যসূত্র: ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার।

মোঃ রায়হান চৌধুরী,(নিজস্ব প্রতিবেদক)