নিহত আব্দুল আলীম ওই এলাকার বাসিন্দা। তিনি ছোনকা রহিমা নওশের আলী ডিগ্রি কলেজের ইন্টারমিডিয়েট দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল আলীমের বাবা-মা প্রায় পাঁচ বছর আগে রংপুর থেকে শেরপুরে এসে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। তারা চিটাভাঙ্গা মিলে কাজ করেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে তাঁরা কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন।
পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে তাঁরা বাড়িতে ফিরে গেট বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গেটের তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় আব্দুল আলীমকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় খাটের ওপর ঝুলতে দেখেন তাঁর বাবা।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে নিচে নামিয়ে খাটে শুইয়ে দেন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুল আলীম শান্ত স্বভাবের ছিলেন। কারও সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল না এবং কোনো খারাপ অভ্যাসও ছিল না বলে তাঁরা জানান। তবে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা ঘটনাটিকে প্রেমঘটিত বলে ধারণা করলেও এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
শাহবন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনা জানার পর এলাকায় গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ ধরনের মৃত্যু কোনোভাবেই কাম্য নয়।
শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা হবে।

মোঃ রায়হান চৌধুরী,(নিজস্ব প্রতিবেদক)