রোববার দুপুরে বঙ্গভবনে ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে সমাজে অপরাধপ্রবণতা বেড়ে গেছে। শিশু হত্যার মতো ঘটনা এবং একটি পরিবারের ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রত্যেককে এসব অপরাধ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে হবে এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় সোচ্চার হতে হবে।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা রক্ষার আহ্বানরাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিন পর দেশ আবার গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে এসেছে। নাগরিক হিসেবে সবার দায়িত্ব এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা রক্ষা করা, যাতে দেশ আবার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে সরে না যায়।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিনির্ভর শাসন কাঠামো থেকে বেরিয়ে একটি টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নির্বাচিত সরকারকে সময় দিতে হবে।
কর আইনজীবীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণরাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের রাজস্ব আহরণে কর আইনজীবীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা আয়কর দেওয়ার যোগ্য, তাদের আয়কর প্রদান নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন খান সংগঠনের নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
সংগঠনের সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল মতিন দেশের কর আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ, সমস্যা ও সুযোগ-সুবিধা দেখভালের জন্য ট্যাক্সেস বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রমিজউদ্দিন আহমেদ দেশের ৪২ হাজার কর আইনজীবীর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে কর আইনজীবীদের ফোরামকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করতে তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি কর আইনজীবীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক