দিয়া মির্জা ২০০১ সালে ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিনয়ে অভিষেক করেন। প্রায় এক দশক পর তিনি প্রযোজনায় যুক্ত হন। ‘ববি জাসুস’ ছিল প্রযোজক হিসেবে তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য রাজি হয়েছিলেন বিদ্যা বালান। গল্প ও অভিনয়শিল্পী চূড়ান্ত হওয়ার পর শুটিং শুরুর প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু ঠিক সেই সময় সব বিনিয়োগকারী সরে গেলে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে পুরো প্রকল্প।
পরিস্থিতিতে হাল না ছেড়ে নিজের প্রথম কেনা বাড়ি বন্ধক রাখেন দিয়া। পাশাপাশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সিনেমাটির নির্মাণকাজ এগিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত ‘ববি জাসুস’ মুক্তি পেলেও বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। তবে নিজের পছন্দের গল্পটি পর্দায় তুলে ধরতে পেরে সন্তুষ্ট ছিলেন দিয়া।
সিনেমাটি থেকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লেও পরবর্তী সময়ে নিজের কাজের আয় থেকে ধীরে ধীরে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করেন তিনি। একই সঙ্গে বন্ধক রাখা বাড়িটিও ছাড়িয়ে নেন।
নারী নির্মাতা হিসেবে বাড়তি চ্যালেঞ্জ‘ববি জাসুস’ নির্মাণের সময় নারী হওয়ার কারণে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন দিয়া মির্জা। তাঁর ভাষ্য, প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর অভিনয়ের কাজ পেতেও তাঁকে বেশ সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
দিয়া মনে করেন, কোনো পুরুষ অভিনেতা একই ধরনের কাজ করলে যে সম্মান ও পারিশ্রমিক পাওয়ার কথা, নারী অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রেও সেই সমান সম্মান ও পারিশ্রমিক নিশ্চিত হওয়া উচিত।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দিয়া বলেন, তিনি তাঁর প্রথম কেনা বাড়িটি বন্ধক রেখেছিলেন। সিনেমার গল্প লেখা হয়ে গিয়েছিল, বিদ্যা বালানের মতো একজন অসাধারণ শিল্পীও অভিনয়ে সম্মতি দিয়েছিলেন এবং একটি দলও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ বিনিয়োগকারীরা সরে যাওয়ায় তাঁকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স